ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীরের আদালত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক সদস্য মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় অভিযোগ গঠন করেছেন।
এর মাধ্যমে মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।
আদালত ১৪ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেছেন।
মতিউর রহমানের জামিন আবেদনও আদালত নামঞ্জুর করেছেন।
অভিযোগ পাঠ করে শোনানোর পর মতিউর রহমান নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।
একই অভিযোগপত্রে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার প্রাথমিক অভিযোগে মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ ছিল।
অভিযোগপত্রের অঙ্ক প্রাথমিক মামলার অভিযোগের অঙ্ক থেকে ভিন্ন; উভয় অঙ্কই এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুটি মামলা করা হয়।
২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ মতিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করে; এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন বলে আদালত-সংশ্লিষ্ট তথ্য জানায়।