আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য হিসেবে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে অন্তত ছয়জন নিহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

একই হিসাবে ২০২৫ সালে ৩৫ জন, ২০২৪ সালে ৪৯ জন এবং ২০২৩ সালে ৬৬ জন নিহত হন।

২০১৭ সালের আগস্ট থেকে ২০২২ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ক্যাম্পগুলোতে ১২৪ জন নিহত হওয়ার হিসাবও দেওয়া হয়েছে।

এপিবিএন-১৪ অধিনায়ক মোহাম্মদ সিরাজ আমিন বলেছেন, সশস্ত্র বিভিন্ন গোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে খুনাখুনি বাড়ছে।

তিনি বলেন, আধিপত্য বিস্তার ঠেকানো গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম অর্থনৈতিক স্বার্থ ও আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বকে কথিত লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় না আনলে এ ধরনের ঘটনা বন্ধ হবে না।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য হিসেবে গত তিন বছরে অন্তত ৫০ জন রোহিঙ্গা নেতা, হেড মাঝি ও সাব-মাঝি কথিত লক্ষ্যভিত্তিক হত্যার শিকার হয়েছেন।

এই সংখ্যা, হামলার পৃথক ঘটনা, সন্দেহভাজনদের পরিচয় এবং দায় নির্ধারণের বিষয়ে এ প্রমাণসেটে কোনো তদন্তের ফল বা বিচারিক সিদ্ধান্ত নেই।

ক্যাম্পের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে দ্বিতীয় কোনো প্রাসঙ্গিক স্বাধীন তথ্য এই প্রমাণসেটে নেই।