ভারতীয় নাগরিক প্রবীর মণ্ডলের মরদেহ প্রায় পাঁচ বছর ধরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের হিমঘরে সংরক্ষিত আছে।
২০২১ সালের নভেম্বরে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রামে অবস্থানকালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা তাকে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং পাটগ্রাম থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়।
২০২১ সালের ১০ নভেম্বর ঘটনাটি নিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।
মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর বা সৎকারের প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, আইনি জটিলতা ও পরিবারের অনাগ্রহের কারণে প্রক্রিয়াটি এগোয়নি।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রমজান আলী বলেন, পরিবারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা মরদেহ নিতে আগ্রহ দেখায়নি।
লালমনিরহাট জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো চিঠিতে বিজিবি ও বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহ ভারতে হস্তান্তরের উদ্যোগের সুপারিশ করেছিল।
সুপারিশের প্রায় পাঁচ বছর পরও ওই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি।
রংপুরের জেলা প্রশাসক রুহুল আমীন বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে মরদেহের সৎকারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাসপোর্টের নথিতে তিনি ২০১৭ সালে বাংলাদেশে এসে ২০১৮ সালের মার্চে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফেরেন বলে উল্লেখ আছে।
এরপর তিনি কীভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছিলেন, সে বিষয়ে নথিতে তথ্য নেই; অপমৃত্যু মামলার বর্তমান অগ্রগতিও স্পষ্ট নয়।