ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, ২ আগস্ট ভোর থেকে গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

কর্মকর্তাদের ভাষ্য, সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এক দিনে এটিই সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা।

গাজা শহরের পশ্চিমাঞ্চলে আল-সুসি টাওয়ারের একটি আবাসিক ফ্ল্যাটে হামলায় অন্তঃসত্ত্বা নারী, তাঁর স্বামী ও পাঁচ বছর বয়সী সন্তান নিহত হন বলে হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

খান ইউনিসের আল-কারারা এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় একই পরিবারের তিনজন নিহত এবং আরও তিনজন আহত হন বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

দেইর আল-বালাহে একটি বাড়িতে দম্পতি এবং মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তি নিহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে একজন এবং আল-মাওয়াসিতে বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি তাঁবুতে একজন নিহত হন; আল-মাওয়াসির ঘটনায় পাঁচজন আহত হওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

গাজা শহরের রিমাল এলাকায় ড্রোন হামলায় দুজন এবং একটি গাড়িতে হামলায় চারজন নিহত হওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে।

তবে উল্লিখিত ঘটনাগুলোতে নিহতের সংখ্যা যোগ করলে ১৮ হয়, যা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের দেওয়া অন্তত ১৯ জনের মোট হিসাবের সঙ্গে মেলে না।

এর আগের দিন দেইর আল-বালাহের আল-আকসা শহীদ হাসপাতালের ওষুধ সংরক্ষণাগারে হামলায় দুটি স্থাপনা ধ্বংস এবং আরও দুটি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ বলেন, ওষুধের মজুত ধ্বংসের ফলে চিকিৎসাসেবা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ৩১ জুলাই গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের একটি পরিকল্পনা ঘোষণার কথা বলেন।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ডোরন স্পিলম্যান বলেন, হামাস সম্পূর্ণ অস্ত্র সমর্পণ না করা পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।

হামাস দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা নষ্ট করতেই ইসরায়েল হামলা বাড়াচ্ছে; এ অভিযোগের বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া এখানে পাওয়া যায়নি।