ঢাকার ধামরাই উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের গোমগ্রামে পপি রাণী সরকার নামে এক নারীর মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর স্বামী লিটন সরকারকে আটক করেছে পুলিশ।

ঘटनাটি ২ আগস্ট ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ওই রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে মরদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের সময় লিটন সরকার পপি রাণী সরকারকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন।

পরিবারের ভাষ্য, মারধরের সময় তাঁদের সাত বছর বয়সী সন্তান সেখানে ছিল।

পরে তাঁকে কালামপুর হলি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা পরিমল সরকার অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই তাঁর মেয়েকে প্রায়ই মারধর করা হতো।

তিনি দাবি করেন, আগের নির্যাতনের ঘটনাতেও মেয়েকে কয়েকবার নিজের বাড়িতে নিয়ে যেতে হয়েছিল।

শহিদুল ইসলাম বলেন, নিহতের পরিবারের অভিযোগ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।