রাজধানীর কয়েকটি পুনর্উন্নয়ন প্রকল্পে দীর্ঘদিনেও ভবন ও ফ্ল্যাট না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন জমির মালিক ও ক্রেতাদের একাংশ।

শান্তিনগরে সুফিয়া খাতুনদের পারিবারিক প্লটে ২০০৭ সালে ডোম-ইনো বিল্ডার্স লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি হয় বলে তিনি জানিয়েছেন।

তার ভাষ্য, তিন বছরের মধ্যে ভবন শেষ করে জমির মালিকদের অর্ধেক ফ্ল্যাট দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে কয়েক তলার কাঠামো নির্মাণের পর কাজ থেমে যায়।

সুফিয়া খাতুনের অভিযোগ, অসমাপ্ত কাঠামো দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকায় তা ব্যবহার-উপযোগী কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ওই প্রকল্পসংক্রান্ত সালিসি আদালতের আদেশে কোম্পানিকে দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল এবং ১৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা জরিমানার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

কোম্পানিটি ওই আদেশের বিরুদ্ধে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আপিল করেছে বলে বলা হয়েছে।

ধানমন্ডির শায়লা রহমানের ভাষ্য, ২০০৬ সালের একটি চুক্তিতে তিন বছরের মধ্যে কয়েকটি ভবন শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় দুই দশকে কেবল দুটি ভবনের কাঠামো হয়েছে।

নয়াপল্টনের জমির মালিক মঈনুল আলম বলেছেন, ২০০৭ সালের চুক্তির পর তাদের প্লটে পাঁচটি ভবনের পরিকল্পনা থাকলেও ১৯ বছরে দুটি ভবনের কাঠামো ছাড়া কাজ এগোয়নি।

পান্থপথের একটি প্রকল্পে সালিসি আদালত ১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা জরিমানা ও পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিলের আদেশ দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মতিঝিলের আরেকটি প্রকল্পে সালিসি আদালত ১১ কোটি টাকা জরিমানা এবং প্রকল্প শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে বলা হয়েছে।

কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দাবি করেছেন, চুক্তি অনুযায়ী কাজ শেষ না হওয়ায় তারা ভাড়ার আয় ও নিজস্ব আবাসনের সুযোগ হারিয়েছেন।

কোম্পানি, এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সালাম বা চেয়ারম্যান রিজওয়ানা ইসলামের কোনো বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি; তাই অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের অবস্থান জানা যায়নি।