মোজতবা খামেনির অবস্থান শনাক্তে যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ ও ইসরায়েলের মোসাদ তৎপর—এমন দাবি উঠেছে, তবে তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

মোজতবা খামেনি ৮ মার্চ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেন—এ দাবির পক্ষেও কোনো স্বাধীন নিশ্চিতকরণ দেওয়া হয়নি।

তার বাবা আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন—এ দাবিও অযাচাইকৃত।

কয়েক মাস ধরে মোজতবা খামেনি জনসমক্ষে আসেননি এবং তাঁর কোনো অডিও বা ভিডিও বার্তা প্রকাশিত হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করা গোয়েন্দা-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবিতে, তিনি মোবাইল ফোন, কম্পিউটার বা অন্য ডিজিটাল যোগাযোগ এড়িয়ে চলছেন।

লিখিত বার্তা ও বিশ্বস্ত বাহকের মাধ্যমে যোগাযোগের কথাও বলা হয়েছে, যদিও এর প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।

তাঁর অবস্থান তেহরানের কোনো ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার বা কোমের কাছের সুরক্ষিত টানেল নেটওয়ার্কে হতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।

সাবেক মোসাদ কর্মকর্তা রামি ইগ্রা বলেছেন, মোজতবা খামেনিকে শনাক্ত করা সম্ভব হলে তা তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি বা বার্তাবাহককে ঘিরে মানব গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমেই হতে পারে।

সাবেক মোসাদ কর্মকর্তা আভনার আব্রাহাম ইরান তাঁর নিরাপত্তায় তাঁর মতো দেখতে ব্যক্তিদের ব্যবহার করছে বলে দাবি করেছেন।

মোজতবা খামেনি আহত হয়েছেন কি না, নেতৃত্ব দেওয়ার মতো সুস্থ আছেন কি না, অথবা তিনি মারা গেছেন কি না—এসব বিষয়ে পরস্পরবিরোধী দাবি রয়েছে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ব্যক্তিগতভাবে সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বলে দাবি করেছেন।

সর্বোচ্চ নেতার জনসমক্ষে অনুপস্থিতির মধ্যে আইআরজিসির সামরিক সিদ্ধান্ত ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় প্রভাব বেড়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

ইরান, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এই দাবিগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেনি।